অভিযোগকারিনী একজন নিরীহ, অসহায়, স্বামী পরিত্যক্তা মহিলা। তিনি তার সন্তানদেরকে নিয়ে পূর্ব বর্ধমান জেলার রায়না থানার অন্তর্গত মাছখণ্ডা এলাকায় ভাড়া বাড়িতে থাকতেন এবং পার্শ্ববর্তী মিলে কাজ করে তার সন্তানদের মুখে অন্ন জোগাতেন। এই অসহায়তার সুযোগ নিয়ে অভিযোগকারিনীর অনুপস্থিতিতে অভিযুক্ত ব্যক্তি ইংরেজি ২৮/০৯/২০২২ তারিখ সকাল ৬.০০ টা নাগাদ অভিযোগকারিনীর ভাড়া বাড়িতে প্রবেশ করে তার নাবালিকা মেয়েকে ধর্ষণ করেন। অভিযোগকারিনী তার প্রতিবেশীর কাছ থেকে এই খবর জানতে পারে এবং তৎক্ষণাৎ সে বাড়িতে ফিরে আসে তার কর্মস্থল থেকে। তারপর তার নাবালিকা কন্যার কাছ থেকে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে অবগত হন এবং এই বিষয়ে রায়না থানাতে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে একটি মামলা রুজু করেন । উক্ত মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করেন তৎকালীন ডি.এস.পি. (ডি.আই.বি) পূর্ব বর্ধমান, শ্রী দিলীপ কর্মকার মহাশয় | তদন্তকারী অফিসার সুদক্ষতার সহিত মামলাটির তদন্ত করেন এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে তার বিরুদ্ধে মহামান্য বর্ধমানের বিশেষ আদালতে চার্জশিট পেশ করেন। | সেই থেকে মামলাটি মহামান্য আদালতে বিচারাধীন ছিল । অবশেষে আজ ইংরেজি ২৯/০৩/২০২৫ তারিখে মহামান্য আদালত এই মামলার চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করেন এবং এই জঘন্য, গর্হিত অপরাধের জন্য অপরাধীকে পঁচিশ (২৫) বছরের কারাদণ্ড এবং এক লক্ষ টাকা জরিমানা করে।